Sunday, April 28, 2024

সব খানা হ্যায় 

Wednesday, April 24, 2024

 । নিজের ভাবনায়  

     শৌভিক রায় 

দায় ঝেড়ে ফেললেই কি সব ঠিক হয়ে যায়? প্রশ্নটা যখন হ্যাঁ-বোধক, ব্যাকরণের নিয়মানুসারে সেটির উত্তর না হয়।  অর্থাৎ, না যায় না। একদম ওপর থেকে নিচ অবধি কেউই পারেন না  সেটা।  হ্যাঁ, আমি-আপনিও পারি না। গড্ডালিকা প্রবাহে আমরাও ভাসিয়েছি গা। মেনে নিয়েছি সব। নিচ্ছিও। এতটাই প্রেরিত হয়েছিলাম যে সবকিছুই ভুলে গিয়েছিলাম। আজ যখন নিজের ঘরটি পুড়ছে, তখন চিৎকার করছি।

ন্যায়ালয়ের রায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা উচিত নয়। আমাদের সংবিধান সেই প্রশ্রয় দেয় না। রায় পছন্দ না হলে অবশ্যই অন্য রাস্তা খোলা আছে। সেই পথে যাওয়া যেতেই পারে। কিন্তু কেন যেতে হবে? সেই জায়গায় ব্যাপারটিকে আসতে দেওয়া হল কেন? কেন এই ঝঞ্ঝাটে ফেলা হল সাধারণ নিরীহ কিছু যোগ্য মানুষকে? এরপরেও আমাদের দায় নেই বললেই হবে? সবকিছু এতই সস্তা?  

ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, যাঁরা রায় দেন সেই মাননীয় বিচারকেরা আমার চাইতে শিক্ষা-মেধা-মনন-বুদ্ধি ইত্যাদি সব কিছুতেই বহু এগিয়ে। নিশ্চয়ই তাঁরা সব দিক বিবেচনা করে এই রায় দিয়েছেন। কিন্তু খারাপ লাগছে সততার সঙ্গে  উত্তীর্ণ হয়েছিলেন যারা, তাদের জন্য। যিনি যত আশা, স্বান্তনা, স্তোকবাক্য দিন না কেন, তাদের মানসিক অবস্থাটা আমরা কল্পনাও করতে পারব না। তাদের এই লড়াই যে কতটা কঠিন সেটা বুঝছেন একমাত্র তারাই। 

একজন শিক্ষক ও বয়স্ক অভিভাবক হিসেবে তাদের পাশে রয়েছি।
আর এত কিছুর পরেও যারা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তাদের জন্য কী?
 
সময় উত্তর দিক.....        
 
   

Sunday, April 21, 2024

 সিস্টেম সেই একই রয়ে গেল

শৌভিক রায়

অনেকেই এস এম এস রেজিস্ট্রেশন করতে পারেননি। সঠিকভাবে ক্যারেক্টার দেওয়ার পরেও এরর, ইনকারেক্ট ইনপুট ইত্যাদি হচ্ছিল। এই ব্যাপারে এস এম এস রেজিস্ট্রেশন কাউন্টার কোনও সাহায্য করেননি। ভোটকর্মীদের কথাই শোনেননি। `কীভাবে হবে` প্রশ্ন করলেই একটাই উত্তর এসেছে, `সিস্টেম আমাদের হাতে নেই`। তারা একটাই কাজ করেছেন। প্রিসাইডিং বা ফার্স্ট পোলিং অফিসারের চিঠিতে `মোবাইল রেজিস্টার্ড` সিল দিয়েছেন।
শুধু এটুকুর জন্য একটি কাউন্টারের সামনে তিনশো থেকে চারশো ভোটকর্মী কয়েক ঘন্টা ধরে যুদ্ধ করেছেন। আমার নিজের ফোন নম্বর প্রথমে রেজিস্টার হয়নি। ভিড় ঠেলে কোনও মতে কাউন্টারের সামনে পৌঁছে এস এম এস কাউন্টারের লোকটির সাহায্য চাইলাম। তার সামনে বেশ কয়েকবার এস এম এস পাঠালাম। কিন্তু কিছুতেই হল না। অন্য কী উপায় সেটা জানতে চেয়েও সাহায্য পাইনি। লোকটি রীতিমতো আমাকে লাইন থেকে বের করে দিলেন।
ইতিমধ্যে আমার ফার্স্ট পোলিং অফিসারের মোবাইল নাম্বার রেজিস্টার্ড হয়েছে। একটু পর আমার ফোনেও মেসেজ এলো `মোবাইল রেজিস্টার্ড`। আবার লাইনে দাঁড়িয়ে ঘন্টা দেড়েকের প্রচেষ্টায় কাউন্টারের সামনে গিয়ে দেখানোর পর, লোকটি বললেন, `এখানে কোচবিহার ১ দেখাচ্ছে। আপনার কোচবিহার ৩ হবে। ` বললাম, `ফার্স্ট পোলিংয়ের মোবাইল রেজিস্টার্ড হয়েছে। আপনি কাইন্ডলি সিলটি দিয়ে দিন।` উনি দিলেন না। কেননা ওই ফোনটি আমার কাছে নেই। ফার্স্ট পোলিং তখন প্রাপ্য টাকার জন্য (তার টাকা একাউন্টে ঢোকেনি) যুদ্ধ করছে আর একটি জায়গায়।
এস এম এস কাউন্টারের লোকটিকে সেটি বললাম। কিন্তু তিনি সিল দেবেন না। বললাম, `মিথ্যে বলছি না। মিথ্যে বলে কেন নেব। তাতে তো আমারই অসুবিধে। আপনি দিন।` উনি দেবেন না। ততক্ষণে প্রবল ভিড় আর গুঁতোগুঁতিতে দরদর করে ঘামছি। এই চুয়ান্ন-পঞ্চান্ন বছর বয়সে কত আর পারা যায়! কিন্তু উনি গোঁ ধরে রইলেন। শেষটায় ফার্স্ট পোলিং অফিসারকে ফোন করে ডেকে এনে এস এম এস দেখাতে উনি কৃপা করলেন। ওঁকে দোষ দিচ্ছি না। উনি নিজের কর্তব্য করেছেন। কিন্তু একটি মাত্র এস এম এস কাউন্টারে এই গরমে প্রবল ভিড় এড়ানো যেতে পারত যদি কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছা থাকত।
পুলিশ ট্যাগিং নিয়ে আমরা ট্রেনিং ক্লাসে আগেই বলেছিলাম। যদি সেটি আমাদের করতে না হয় তবে ভাল হয়। জানতাম তাতে কর্ণপাত করা হবে না। সেটিই হয়েছে। তরুণ বিডিও সাহেবের ইচ্ছে থাকলেও হয়ত করে উঠতে পারেননি। যাহোক পুলিশ ট্যাগ করতে গেলাম। উপস্থিত মহিলা এস আই ফোন নাম্বার দিয়ে বললেন, `পুলিশকে ফোন করুন।` তাজ্জব কাণ্ড ! বিস্মিত হলাম। কিন্তু দরকার নিজের। প্রথম নাম্বার ইনভ্যালিড। দ্বিতীয়তে রিং হল। কথা হল না। এস আই বললেন, `ওরা এখনও আসেনি। আপনি একটু পরে আসুন।` অনুরোধ করলাম, `আমাকে পরের বার আর লাইনে অপেক্ষা করাবেন না।` উনি কথা রেখেছিলেন। পরের বার আর অপেক্ষা করতে হয়নি। `বয়স্ক মানুষকে আমি আগে ছাড়ব` বলে সত্যিই আমাকে ছেড়ে দিলেন তাড়াতাড়ি।
ভোটকেন্দ্র, ভোটগ্রহণ, কেন্দ্রিয় বাহিনী, পোলিং এজেন্ট, সেলফ হেল্প গ্ৰুপ, বি এল ও, সেক্টর, ওই এলাকার মানুষজন প্রত্যেকেই অত্যন্ত ভাল, অমায়িক। বহুদিন পর খুব ভালভাবে সব শেষ করতে পারলাম। কাজকর্ম মিটে গেল। ঠিকঠাক পৌঁছে গেলাম। মোটামুটি তাড়াতাড়ি। এবার জমা দেওয়া।
এক একটি কাউন্টারে ২০টি বুথের মালপত্র জমা নেওয়া হচ্ছে। কাউন্টারের সামনে যেটুকু জায়গা, তাতে যদি কুড়িটি পার্টির সকলে চলে আসে তাহলে দাঁড়ানো যাবে না। কেননা সামনে যেটুকু জায়গা রাখা আছে তাতে বড়জোর জানা দশ-পনের লোক ভদ্রমতো দাঁড়াতে পারে। কাউন্টারে যারা আছেন তারা যথেষ্ট ধীর গতিতে কাজ করছেন। এটা সেটা চাইছেন। স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে তারা নিজেরাও পরিষ্কার নন কী কী নিতে হবে এবং কীভাবে নিতে হবে। সব পোলিং পার্টি সব কিছু গুছিয়ে নিয়ে আসবে এটা ভাবা ঠিক নয়। অনেকেই নতুন রয়েছে। তাদের কাজে ভুলচুক হতেই পারে। সেটা তাদেরকে ভালভাবে বলা যায়। একটু সাহায্য করে মালপত্র তাড়াতাড়ি জমা নিয়ে নেওয়া যায়। কিন্তু সেটা আর হচ্ছে না। ফল, যা হওয়ার তাই হল। চেঁচামেচি শুরু।
শেষটায় সেই তরুণ বিডিও সাহেব এসে পরিস্থিতি সামলালেন। ঝটপট সব দেখে মালপত্র জমা নিতে শুরু করলেন। আমার মালপত্র নিতে সময় নিলেন পাঁচ মিনিট।
রিলিজ অর্ডার সই করতে করতে কাউন্টারের মহিলাটি বললেন, `চেঁচামেচি না করলেই পারতেন।` ভাবলাম উত্তর দেব না। কিন্তু মুখ দিয়ে বেরিয়ে এলো, `এই চেঁচামেচির জন্যই বিডিও সাহেব নিজে জমা নিলেন এবং স্পেসিফিক জিনিষগুলিই নিলেন। অযথা হয়রানি করলেন না, যেটা এতক্ষণ চলছিল।`
দুদিনের অমানুষিক পরিশ্রম ও দুশ্চিন্তা মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরতে ফিরতে ভাবছিলাম, কবে আমাদের কর্তৃপক্ষ একটু বুঝবেন। ১৯৯৬ থেকে একই চিত্র দেখে আসছি প্রতিটি ভোটে। চাকরি জীবনের শেষে এসেও অবস্থা সেই একই রয়ে গেল। ভোটিং মেশিন এলো, ভিভিপ্যাট এলো, এস এম এস এলো, ভোটকর্মীদের হোয়াটসআপ গ্ৰুপ এলো, ইউ টিউবে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ার নানা ভিডিও এলো, কিন্তু সিস্টেম সেই একই রয়ে গেল!

Monday, April 15, 2024


 


অজ্ঞতার অন্ধকারে ঢাকে মহাপর্যটকের ছায়া
শৌভিক রায়
পর্যটনের শহর দার্জিলিঙের এই অংশ এতটা ফাঁকা দেখে বিস্মিত হইনি। কেননা আজকাল টুরিস্ট যত বেশি, ট্রাভেলার বা পর্যটক ঠিক ততটাই কম। সেটা না হলে আধুনিক ভারতের মহাপর্যটক রাহুল সাংকৃত্যায়নের দার্জিলিং যোগ ভুলে যাব কেন? কেনই বা চুপিসারে কেটে যাবে ৯ এপ্রিল তাঁর জন্মদিনটি! মৃত্যু দিবসও বাংলা নববর্ষের দিন। সেদিক থেকে দেখলে আক্ষরিক অর্থেই এই সপ্তাহটি রাহুল সাংকৃত্যায়নময়। তবু তাঁকে নিয়ে একটি শব্দও খরচ করিনি আমরা।
অথচ তাঁকে ভারতীয় ভ্রমণ কাহিনীর জনক বলা হয়। বাংলা সাহিত্যে উমপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, প্রবোধ কুমার সান্যাল, সুবোধ কুমার চক্রবর্তী, শঙ্কু মহারাজের মতো ভ্রমণ কাহিনী লেখক এলেও সর্ব ভারতীয় পর্যায়ে কিন্তু রাহুল সাংকৃত্যায়ন অনেক এগিয়ে। আর সবচেয়ে বড় কথা, তিনি যে জীবন যাপন করেছেন সেটি সত্যিই একজন পরিব্রাজকের।
তাই উত্তরপ্রদেশের আজমগড় জেলায় জন্মানো মানুষটির মৃত্যু হয় দার্জিলিঙে! মাঝের দিনগুলিতে তিনি ঘুরে বেড়ান এই দেশের কাশ্মীর, লাদাখ। চলে যান নেপাল, তিব্বত, চিন, সোভিয়েত রাশিয়া। প্রথম জীবনে আর্য সমাজের দয়ানন্দ সরস্বতীর একনিষ্ঠ অনুগামী হয়েও পরবর্তীতে কমিউনিস্ট বলে পরিচিত হন। আবার বৌদ্ধ সন্ন্যাসী হয়ে ত্যাগ ও মোক্ষের পথ অনুসন্ধান করেন। এই টানাপোড়েন তো প্রকৃত পর্যটকের সঙ্গী। একমাত্র অবলম্বন।
মহাপণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়নের জীবন তাই বিরাট বিস্ময় আজও। শ্রীলংকায় অধ্যাপনা ছেড়ে দার্জিলিঙে ফিরে আসা মানুষটির কাছারি রোডের বাড়িটিও এই প্রজন্মের অনেকের কাছেই অজানা। আর আমরা যারা বেড়াতে যাই তারা তো সীমাবদ্ধ থাকি নির্দিষ্ট কিছু দ্রষ্টব্যে। সেখানে রাহুল সাংকৃত্যায়নের স্মৃতি কিংবা দেশবন্ধুর বাড়ি স্টেপ এসাইড কিছুই জায়গা পায় না।
প্রজন্মকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। যদি তাদের জানানো না হয়, তবে তারা অজ্ঞ‌ই থাকবে।রাহুল সাংকৃত্যায়নের সমাধি স্থানের কথাই ধরা যাক। একটু লক্ষ্য করলেই সিস্টার নিবেদিতার সমাধি ফলকটিও চোখে পড়ে। কলকাতার বাগবাজারের তাঁর বাড়িটি দেখে থাকলেও আমরা অধিকাংশই জানিনা, উত্তরের এই শৈল শহর‌ই ছিল তাঁর শেষ আশ্রয়। এখানেই হিমালয়ের শান্ত সমাহিত পরিবেশে তাঁর অন্তে‌ষ্ট্যি করা হয়েছিল। তাঁরও ছিল পরিব্রাজকের জীবন। সেই কোন আয়ারল্যান্ড থেকে আসা ভিনদেশী নিবেদিতা রাহুল সাংকৃত্যায়নের মতোই আশ্রয় নিয়েছিলেন এই উত্তরে। কিন্তু আমরা কি সেসবের খোঁজ রাখি?
আবার, চা বাগান প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে ইউরোপ থেকে যে তরুণরা টি প্লান্টার হিসেবে একদিন বদলে দিয়েছিলেন উত্তরের অর্থনীতি, তাদের কথা কি আমরা বলেছি কখনও? যদি বলতাম তবে মালবাজারের রাঙ্গামাটি চা বাগানের চাইবাসা ডিভিশনের ইউরোপিয়ান কবরস্থানটির ওই দৈন্য দশা হত না। অথচ ওখানে লুকিয়ে কত ইতিহাস। একই কথা বলা যায়, কালিম্পঙের ড. গ্রাহাম সহ উত্তরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন সমাধিক্ষেত্র সম্পর্কে। সেগুলিতে যাঁরা শায়িত, উত্তরের বিকাশের ক্ষেত্রে, তাঁদের অবদান কিন্তু গবেষণার বিষয়।
পর্যটন হোক প্রকৃত অর্থে। সেলফি আর রিল বানানো যে পর্যটনের একমাত্র উদ্দেশ্য নয় সেটা বুঝুক এই প্রজন্ম। আমাদেরও উচিত দায়িত্ব নিয়ে তাদের বোঝানো। তা না হলে ঘন অন্ধকারেই ঢেকে থাকবে আলোকিত এক অতীত।
(লেখক কোচবিহারের বাসিন্দা। পেশায় শিক্ষক)

** আজকের (১৫ এপ্রিল, ২০২৪) উত্তরবঙ্গ সংবাদ-এ প্রকাশিত সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত একটি লেখা। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা কার্যকরী সম্পাদক ও উত্তরবঙ্গ সংবাদকে।

Thursday, April 11, 2024

না-লেখা কিছু 

শৌভিক রায় 


কোনও তৃণে নাম লিখতে পারিনি। সেই মনন নেই। বোধ নেই।
আকাশের মতো উদার হতে পারিনি। সেই মন নেই। সাহস নেই। 
চিতার আগুন স্পর্শ করার আগে যদি একবার লিখতে পারতাম! উদার হতে পারতাম!  

স্পর্শে থেকে যাচ্ছে শুধু সময়। চলে গেছে যা। 
যায় না কেবল রূপকথারা। তাদের নিয়েই এই থাকা। 
তাও থাকতে হয় বলে.....

দিনের পর মাস আসে। মাসের পর বছর। ধুলো জমে। 
তবে সব ধুলো পুরু হয় না। জমেও না। 
বরং আলোর সূক্ষ্ম রেখায় জ্বলজ্বল করে না-জমা সেই ধুলোরা। 
উড়ে বেড়ায়। হাওয়ায়। ঝরে পড়ে গায়ে। 
ধুলো থেকেই উত্থান। ধুলোতেই শেষ। 
অন্তিম তাই কথা বলে।

বলে, লিখে রাখো সেই কথা। কিন্তু মনন নেই, বোধ নেই। লিখব কী? 
লেখা কি যায়? 
উদারতা নেই, সাহস নেই। 
লেখা কি যায়?

সব লিখতে হবে তার কোনও অর্থ নেই। 
না-লেখা থাকে কিছু। থেকে যাক গভীরে। 
গভীরতর হয়ে। 
যে পারে সে নাম লিখুক তৃণে। উদার হোক আকাশের মতো। 
কেউ থেকে যাক হতাশের দলে.......

এপ্রিল ১১, ২০২৪     
 

Sunday, April 7, 2024