না ছিল ভাষণ, না ছিল সম্বর্ধনা প্রদান, না ছিল কেক কাটা।
ছিল তাৎপর্য ব্যাখ্যা। মুখে নয়। কাজে। কর্মে। শিক্ষা প্রদানে।
তাঁদের সাদা ধুতি-পাঞ্জাবিতে কিংবা আটপৌড়ে সাবেক পোশাকে কোনদিন কোনও দাগ দেখিনি।
হয়ত`দাগি` শব্দটাই জানতেন না তাঁরা....
দশক কেটে গেছে। সময় বদলে গেছে। দেখনদারির এই সময়ে যতটা ঢক্কানিনাদ, ঠিক ততটাই শূন্যতা।
আসলে শূন্য কলসিই বড্ড শব্দ করে!
এরকম সময়ই মনে পড়ে সেই সব মানুষদের। তাঁরা নিজেরা হাত ধরতেন। ধরতে শেখাতেন।
তাঁরা শিক্ষক। তাঁরা প্রকৃষ্ট অর্থে পিতা। পালন করতেন যে.....
ছবিতে সেরকমই এক শিক্ষক। এক পিতা। এক জনক। ঘটনাচক্রে তিনি আমারও প্রধানশিক্ষক। সত্যি বলতে, আমার দেখা সেরা প্রধানশিক্ষক।
ছবিটি আমিই তুলেছিলাম ১৯৮৮ সালে কন্যাকুমারীতে।
সম্প্রতি তাঁকে নিয়েই বলেছিলাম কিছু কথা। ত্রিপুরার স্নেহের ভাই রাজেশ তাঁর পত্রিকা `বজ্রকণ্ঠ'-এ প্রকাশ করেছেন কতগুলি।
আজ শিক্ষক তর্পণে, পিতৃ তর্পণে রয়ে যাক সেটিও।
চক্র
শৌভিক রায়
এভাবেই হাতবদল
পড়ে রইল
ছবি কিছু,
পুরোনো চশমা,
সাদা পাঞ্জাবি
নাম লিখল সময়
নতুন করে
এক ধাপ এগোলো
অন্য কেউ
পালাবদল বারবার
তবু বৃত্ত,
চক্রাকার
শেষেই শুরু কিংবা
উলটপূরণ......

No comments:
Post a Comment