Ash Wednesday: যা জেনেছি
শৌভিক রায়
Because I do not hope to turn again
Because I do not hope
Because I do not hope to turn
Desiring this man's gift and that man's scope
I no longer strive to strive towards such things
(Why should the agèd eagle stretch its wings?)
Why should I mourn
The vanished power of the usual reign?
বলছেন টি এস এলিয়ট তাঁর Ash Wednesday কবিতায়। জীবনের অর্থহীনতা, অন্তঃসারশুন্যতা আর অবক্ষয়িত মূল্যবোধ বোধহয় তাঁকে এই কথাগুলি বলতে বাধ্য করিয়েছিল। আর অদ্ভুতভাবে এখন থেকে শুরু হয়েছিল তাঁর এক অন্য যাত্রা।
আজ, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, সেই Ash Wednesday....আজ থেকেই শুরু হচ্ছে
Lent
Lent খ্রীষ্টানদের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান। কথাটি এসেছে Anglo-Saxon শব্দ lencten থেকে। ইংরেজিতে একে lengthen বলা যায়। বসন্তের দীর্ঘ দিনের সমার্থক যেন এই lengthen শব্দটি। অবশ্য সব খ্রীষ্টানরা এই Lent রাখেন না।
Lent আসলে চল্লিশ দিনের সেই দীর্ঘ সময় যখন জিশুর অনুগামীরা উপবাস রাখেন। এই উপবাস চলে Easter অবধি। দিনগুলি তাৎপর্যপূর্ণ কেননা বলা হয়, `The forty days represents the time Jesus spent in the wilderness, enduring the temptation of Satan and preparing to begin his ministry.`
পরমেশ্বরের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার সময় হল Lent .... এই বিলোনো মানে আর কিছু নয়। দীন-দরিদ্রদের জন্য নিজের সাধ্যমতো কিছু করা। কেননা জিশু রয়েছেন তাদের মধ্যেই। মাদার টেরেসার কথায় `And that is why we believe what Jesus said: I was hungry- I was naked- I was homeless -I was unwanted, unloved, uncared for - and you did it to me.`
Ash Wednesday-এর দিন চার্চ থেকে পুণ্যার্থীদের কপালে ছাই দিয়ে ক্রস এঁকে দেওয়া হয়। পাপ ও মৃত্যুকে বোঝায় সেই চিহ্ন। কোনও নির্দিষ্ট তারিখে নয়, দিনটি এক এক বছর এক এক দিনে পালিত হয়। Good Friday, Easter ইত্যাদির মতো শোকের ঘটনার শুরু যেন এই দিনটি। কিন্তু তাতেও রয়েছে আনন্দের সুর। আসলে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার মধ্যে যে ঐশ্বরিক আনন্দ আছে তার তুল্য কিছু আছে কি?
এলিয়ট যেমন নিজের এক অন্য যাত্রা শুরু করেছিলেন, ঠিক তেমনি হয়ত Ash Wednesday থেকে কেউ কেউ আজও শুরু করেন অন্যভাবে বাঁচতে। আসলে এলিয়টের কথাতেই In my beginning is my end হলেও জীবন তো বৃত্তাকার। আর সেই বৃত্তাকার জীবন শূন্য থেকে শুরু হয়ে শূন্যে শেষ হলেও, মাঝে রয়ে যায় কত কী! যে বোঝে সে নিজস্ব আত্মিক যাত্রায় নিজেকে স্থাপন করে অন্য এক আলোর জগতে। আমার মতো যারা সেটা পারে না, তারা রয়ে যায় অন্ধকারেই....
ছবি- ১৮৬৮ সালে নির্মিত কলকাতার সেন্ট জেমস চার্চ (জোড়া গির্জা)

No comments:
Post a Comment