শিক্ষক দিবস: আমার কিছু কথা
শৌভিক রায়
শৌভিক রায়
পটলা স্যারের (নাম একটা ছিল, জানতো না কেউই) কথা মনে পড়ছে। গায়ে সাদা দাগ ছিল। তারও আগে, সেই সাধ্বী, যিনি পড়াতেন। দিনহাটার গোপালনগর শরণার্থী প্রাথমিক বিদ্যালয় আর প্রপন্ন আশ্রমের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্মৃতি বলতে এটুকুই। বড্ড অবাক লাগে কিভাবে আমরা স্মৃতিহীন হয়ে যাই অনেকের ক্ষেত্রেই! গ্রে ম্যাটার কেন যে কাজ করে না কে জানে। ক্লাস থ্রি-তে ফালাকাটায় চলে আসবার পর থেকে মোটামুটি স্মৃতি কিন্তু অমলিন। ফালাকাটা বেসিক স্কুলের বড়দা (শ্রী অপরেশ ভৌমিক), মেজদা (শ্রদ্ধেয় ভূপেনবাবু), সেজদা (শ্রী সন্তোষকুমার দে), রাঙাদা (রাঙাদা রাঙাদাই), শেফালি দিদিমণি, প্রীতি দিদিমণি (আখুর মা বলেই অভ্যস্ত ছিলাম), বিজন দিদিমণি তাই জ্বলজ্বল করছেন মনে। মেজদার ভয়ানক মেজাজ, সেজদার তীক্ষ্ণ নজর, বড়দার উদারতা সব মিলেমিশে একাকার। পাশাপাশি শান্ততম রাঙাদা। খালি পা, তেলে ভেজা কোঁকড়ানো চুল, নিরীহতম মুখ ও চোখের মানুষটি কপালে চকের টিপ দিলে বুঝতাম পৃথিবীর সবচেয়ে অন্যায় কাজটি করে ফেলেছি। দিদিমণিদের কথা আলাদা করে বলছি না। মায়েরা কি আলাদা হন নাকি? সব মমতা, স্নেহ, আশকারা নিয়ে তারা অত্যাচার সহ্য করতেন আমাদের। আসলে দল বেঁধে দুষ্টুমি করা শিশু-কিশোররা কিন্তু মাঝেমাঝেই মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে। অন্ততঃ আমরা হতাম। আর সব অপরাধ ক্ষমা করা হত দিদিমণিদের প্রশ্রয়ে। মেজদা বেত মারতেন না তা নয়। তবে গর্জনটাই বেশী ছিল তাঁর। এখন ভাবি আরও বেতের প্রয়োজন ছিল। কি কান্ডটাই না করতাম সে সময়!
হাই স্কুলে শিক্ষক সংখ্যা অনেক। হবেই বা না কেন? ওই তল্লাটের একমাত্র স্কুল যাতে একাদশ-দ্বাদশে সায়েন্স, আর্টস, কমার্স তিনটে স্ট্রীমই রয়েছে। সে আমলে ওরকম স্কুল আর ক'টা! এখন হেডস্যার তো নিজের বাবা। বাকি স্যারেদেরকেও এতোদিন কাকু ডেকে এসেছি। কি বিপদ কি বিপদ। স্কুলে পন্ডিতকাকুকে (স্বর্গীয় সুবোধমোহন মুখোপাধ্যায়) স্যার বলবো কিভাবে? পাশাপাশি কোয়ার্টার্সে থাকি। দিনে রাতে সবসময় যাই। মা থাকেন দিনহাটায়। আমাদের বাপ ব্যাটাদের সংসারে দিদা, কাকীমা এসে থেকে রান্নাবান্না করে দেন। সবটাই ওই চলছে গোছের। ছোট ছেলে আমি, বাণী কাকীমা (পন্ডিতকাকুর গৃহিণী) স্নেহময়ী। প্রতিদিন এটা ওটা খাওয়ান। মুসুর ডালের বাসি খিচুড়ি তো রাখবেনই। পন্ডিতকাকুও মনে করাবেন, "শুভুর জন্য রাখছো তো?" তা এই লোকটাকে স্কুলে স্যার বলি কিভাবে। হরকাকুর (সহপ্রধান শিক্ষক স্বর্গীয় হরচন্দ্র চক্রবর্তী) নখহীন তর্জনীটা একসময় ছিল আমার বিস্ময় ও খেলার বস্তু, প্রমথকাকুর ( স্বর্গীয় প্রমথনাথ গুহ) বাড়ি তো নিজের বাড়ি, প্রমথকাকুর ছেলে অলকদাদা নিজের দাদা (আজও), মেয়ে রুমাদিদি নিজের দিদি (এখনও ভাইফোঁটায় ফালাকাটায় থাকলে আর ফোঁটা নিতে না গেলে কান ধরে), কাকীমা তো নিজের মা, হরকাকুর ছেলে টিঙ্কুদা আর একটা দাদা, মেয়ে রুবিদি গম্ভীর দিদি (অধ্যাপিকা হওয়ার গুণাবলি তখন থেকেই ছিল রুবিদির)। এক মহা যন্ত্রণায় পড়া গেল! শেষমেশ কিছুই ডাকতাম না, কথাও বলতাম না। হলে কি হবে, এঁদের শ্যেন দৃষ্টি তো আমার ওপর! ওই একই দৃষ্টি জহরস্যার শ্রী জহর সিনহা), চন্ডীস্যার (শ্রী চন্ডীদাস সাহা), পুলককাকু (শ্রী পুলক রায়), দীপকস্যার (শ্রীদীপক চ্যাটার্জী), সুধাস্যার (স্বর্গীয় সুধারঞ্জন দত্ততালুকদার), দিলীপস্যার (শ্রী দিলীপ বিশ্বাস) প্রমুখের। গোস্বামী স্যার (স্বর্গীয় অরুণগোপাল গোস্বামী), সুধীর স্যার ( শ্রী সুধীররঞ্জন দে) অনেকটাই মাই ডিয়ার ধরণের, ভয়টা কম পেতাম তাই। হিন্দিস্যারের (নামটা ভুলে গেছি) বেত খায়নি এরকম ছাত্র সেসময় একজনও পাওয়া যাবে না গ্যারান্টি ধরে বলতে পারি। রজতস্যারের রাশভারী ভাব (শ্রী রজতকান্তি ভদ্র), উৎপলস্যারের (শ্রী উৎপল ভদ্র) গলা ও পড়ানো এবং নাটক করানো আমাদের দিয়ে, নন্দীস্যারের ( শ্রী সত্যরঞ্জন নন্দী) ইংরেজি, দেবনাথস্যারের (শ্রী প্রমোদরঞ্জন দেবনাথ) অঙ্ক কষানো, দুলালস্যারের (স্বর্গীয় দুলালচন্দ্র দে) লম্বা চেহারায় তুলনায় ছোট বেতের বিরাট লম্বা বাড়ি....সব মিলে জমজমাট একেবারে! পাশাপাশি কল্পনা ম্যাডাম (শ্রীমতী কল্পনা দেবনাথ), সর্বাণী ম্যাডাম ( শ্রীমতী সর্বাণী সিনহা), শিখা ম্যাডাম ( শ্রীমতী শিখা সাহা) আর নিজের মা-ও ততদিনে দিনহাটা গার্লস হাই ছেড়ে ফালাকাটা হাই স্কুলে আমার শিক্ষিকাকূল। মাঝে পেয়েছি শ্রীমতী লিপি বোস, শ্রীমতী কস্তুরী চক্রবর্তীকে। ম্যাডামদের কথা আলাদা করে বলবো না। মায়েরা আলাদা হন নাকি!! মা তো মা-ই! (কেবল শিখা ম্যাডামকে ওই কৈশোরে দেখে বুক কেমন ছ্যাৎ ছ্যাৎ করতো!! আমার প্রিয়তম উৎপল স্যারকে বিয়ে করে আমাকে বাঁচিয়ে দিলেন ম্যাডাম।) পেয়েছি আরও অনেক শিক্ষক-শিক্ষিকাকে স্কুল জীবনে। সামন্তস্যার, অজিতস্যার, কার্জীস্যার, কৃষ্ণস্যার....কতোজন শিখিয়েছেন, পড়িয়েছেন। মনে পড়ছে করণিক স্বর্গীয় অনিলবন্ধু সরকার, স্বর্গীয় নাড়ুস্যারের কথা। চোখে ভাসছেন বেণীদা, রামদাদা। দেখতে পাচ্ছি নরেশদাকে, গৌতমদাকে, নারায়ণদাকে। এঁরা ছাড়া আমার স্যারেরা আমাদেরকে শেখাতে পারতেন কি?
কলেজ শ্রী অনিলবন্ধু দত্ত, শ্রী সুশান্ত চ্যাটার্জী, শ্রী দেবাশীষ চ্যাটার্জী, শ্রী প্রণবকুমার সমাজদার, শ্রী নিতাই চক্রবর্তী, স্বর্গীয় কৃষ্ণচন্দ্র চক্রবর্তী, স্বর্গীয় জীবনেশ্বর মিশ্র, স্বর্গীয় হীতেন নাগ, স্বর্গীয় অলক গাঙ্গুলি, মহঃ সৌকত আলি, শ্রী সাধন কর, শ্রী সব্যসাচী রায় (সকলেই দিনহাটা কলেজের) সমৃদ্ধ করেছেন। ইউনিভার্সিটিতে বি কে বি, কে কে আর, এ বি, জি এন আর, এস আর এম, ইউ ডি (এভাবেই ডাকাটা রেওয়াজ) আর বি এড কলেজে একবোদ্বিতীয়ম শ্রী গোপাল সরকার। কিভাবে ভুলি?
সত্যি বলতে কি, এঁরা না শিক্ষকতা করতেন, আর আমি, এঁদের ছাত্র, শিক্ষকতা করতে এসে চাকরী করছি। শিক্ষক হওয়া কি এতোই সহজ? একজন তরুণকুমার লাহিড়ী বা রঞ্জন ভট্টাচার্য্য বা স্নিগ্ধশেখর সোমচৌধুরী বা নারায়ণ দত্ত বা কিশোর চক্রবর্তী বা দীপায়ণ ভট্টাচার্য্য বা উৎপল চক্রবর্তী বা শুকদেব নাথ প্রমুখ হওয়া কি এতোই সহজ? বা হয়ে ওঠা কি এতোই সহজ সেই ছেলেটি, সেই মহান শিক্ষকটি, যে বলতে পারবে "রাজা তোর কাপড় কোথায়?"
শিক্ষক দিবস বারবার আসবে। স্মৃতিতে আমার শিক্ষককেরা বারবার আসবেন, আসবে অনেক মধুকথা, আসবে অম্লকথা, আসবে খেদ, আসবে যন্ত্রণা...কিন্তু দিন শেষে কিভাবে ভুলবো যাঁদের জন্য আজ আমার এটুকু, তাঁদের সব্বাইকে?
হাই স্কুলে শিক্ষক সংখ্যা অনেক। হবেই বা না কেন? ওই তল্লাটের একমাত্র স্কুল যাতে একাদশ-দ্বাদশে সায়েন্স, আর্টস, কমার্স তিনটে স্ট্রীমই রয়েছে। সে আমলে ওরকম স্কুল আর ক'টা! এখন হেডস্যার তো নিজের বাবা। বাকি স্যারেদেরকেও এতোদিন কাকু ডেকে এসেছি। কি বিপদ কি বিপদ। স্কুলে পন্ডিতকাকুকে (স্বর্গীয় সুবোধমোহন মুখোপাধ্যায়) স্যার বলবো কিভাবে? পাশাপাশি কোয়ার্টার্সে থাকি। দিনে রাতে সবসময় যাই। মা থাকেন দিনহাটায়। আমাদের বাপ ব্যাটাদের সংসারে দিদা, কাকীমা এসে থেকে রান্নাবান্না করে দেন। সবটাই ওই চলছে গোছের। ছোট ছেলে আমি, বাণী কাকীমা (পন্ডিতকাকুর গৃহিণী) স্নেহময়ী। প্রতিদিন এটা ওটা খাওয়ান। মুসুর ডালের বাসি খিচুড়ি তো রাখবেনই। পন্ডিতকাকুও মনে করাবেন, "শুভুর জন্য রাখছো তো?" তা এই লোকটাকে স্কুলে স্যার বলি কিভাবে। হরকাকুর (সহপ্রধান শিক্ষক স্বর্গীয় হরচন্দ্র চক্রবর্তী) নখহীন তর্জনীটা একসময় ছিল আমার বিস্ময় ও খেলার বস্তু, প্রমথকাকুর ( স্বর্গীয় প্রমথনাথ গুহ) বাড়ি তো নিজের বাড়ি, প্রমথকাকুর ছেলে অলকদাদা নিজের দাদা (আজও), মেয়ে রুমাদিদি নিজের দিদি (এখনও ভাইফোঁটায় ফালাকাটায় থাকলে আর ফোঁটা নিতে না গেলে কান ধরে), কাকীমা তো নিজের মা, হরকাকুর ছেলে টিঙ্কুদা আর একটা দাদা, মেয়ে রুবিদি গম্ভীর দিদি (অধ্যাপিকা হওয়ার গুণাবলি তখন থেকেই ছিল রুবিদির)। এক মহা যন্ত্রণায় পড়া গেল! শেষমেশ কিছুই ডাকতাম না, কথাও বলতাম না। হলে কি হবে, এঁদের শ্যেন দৃষ্টি তো আমার ওপর! ওই একই দৃষ্টি জহরস্যার শ্রী জহর সিনহা), চন্ডীস্যার (শ্রী চন্ডীদাস সাহা), পুলককাকু (শ্রী পুলক রায়), দীপকস্যার (শ্রীদীপক চ্যাটার্জী), সুধাস্যার (স্বর্গীয় সুধারঞ্জন দত্ততালুকদার), দিলীপস্যার (শ্রী দিলীপ বিশ্বাস) প্রমুখের। গোস্বামী স্যার (স্বর্গীয় অরুণগোপাল গোস্বামী), সুধীর স্যার ( শ্রী সুধীররঞ্জন দে) অনেকটাই মাই ডিয়ার ধরণের, ভয়টা কম পেতাম তাই। হিন্দিস্যারের (নামটা ভুলে গেছি) বেত খায়নি এরকম ছাত্র সেসময় একজনও পাওয়া যাবে না গ্যারান্টি ধরে বলতে পারি। রজতস্যারের রাশভারী ভাব (শ্রী রজতকান্তি ভদ্র), উৎপলস্যারের (শ্রী উৎপল ভদ্র) গলা ও পড়ানো এবং নাটক করানো আমাদের দিয়ে, নন্দীস্যারের ( শ্রী সত্যরঞ্জন নন্দী) ইংরেজি, দেবনাথস্যারের (শ্রী প্রমোদরঞ্জন দেবনাথ) অঙ্ক কষানো, দুলালস্যারের (স্বর্গীয় দুলালচন্দ্র দে) লম্বা চেহারায় তুলনায় ছোট বেতের বিরাট লম্বা বাড়ি....সব মিলে জমজমাট একেবারে! পাশাপাশি কল্পনা ম্যাডাম (শ্রীমতী কল্পনা দেবনাথ), সর্বাণী ম্যাডাম ( শ্রীমতী সর্বাণী সিনহা), শিখা ম্যাডাম ( শ্রীমতী শিখা সাহা) আর নিজের মা-ও ততদিনে দিনহাটা গার্লস হাই ছেড়ে ফালাকাটা হাই স্কুলে আমার শিক্ষিকাকূল। মাঝে পেয়েছি শ্রীমতী লিপি বোস, শ্রীমতী কস্তুরী চক্রবর্তীকে। ম্যাডামদের কথা আলাদা করে বলবো না। মায়েরা আলাদা হন নাকি!! মা তো মা-ই! (কেবল শিখা ম্যাডামকে ওই কৈশোরে দেখে বুক কেমন ছ্যাৎ ছ্যাৎ করতো!! আমার প্রিয়তম উৎপল স্যারকে বিয়ে করে আমাকে বাঁচিয়ে দিলেন ম্যাডাম।) পেয়েছি আরও অনেক শিক্ষক-শিক্ষিকাকে স্কুল জীবনে। সামন্তস্যার, অজিতস্যার, কার্জীস্যার, কৃষ্ণস্যার....কতোজন শিখিয়েছেন, পড়িয়েছেন। মনে পড়ছে করণিক স্বর্গীয় অনিলবন্ধু সরকার, স্বর্গীয় নাড়ুস্যারের কথা। চোখে ভাসছেন বেণীদা, রামদাদা। দেখতে পাচ্ছি নরেশদাকে, গৌতমদাকে, নারায়ণদাকে। এঁরা ছাড়া আমার স্যারেরা আমাদেরকে শেখাতে পারতেন কি?
কলেজ শ্রী অনিলবন্ধু দত্ত, শ্রী সুশান্ত চ্যাটার্জী, শ্রী দেবাশীষ চ্যাটার্জী, শ্রী প্রণবকুমার সমাজদার, শ্রী নিতাই চক্রবর্তী, স্বর্গীয় কৃষ্ণচন্দ্র চক্রবর্তী, স্বর্গীয় জীবনেশ্বর মিশ্র, স্বর্গীয় হীতেন নাগ, স্বর্গীয় অলক গাঙ্গুলি, মহঃ সৌকত আলি, শ্রী সাধন কর, শ্রী সব্যসাচী রায় (সকলেই দিনহাটা কলেজের) সমৃদ্ধ করেছেন। ইউনিভার্সিটিতে বি কে বি, কে কে আর, এ বি, জি এন আর, এস আর এম, ইউ ডি (এভাবেই ডাকাটা রেওয়াজ) আর বি এড কলেজে একবোদ্বিতীয়ম শ্রী গোপাল সরকার। কিভাবে ভুলি?
সত্যি বলতে কি, এঁরা না শিক্ষকতা করতেন, আর আমি, এঁদের ছাত্র, শিক্ষকতা করতে এসে চাকরী করছি। শিক্ষক হওয়া কি এতোই সহজ? একজন তরুণকুমার লাহিড়ী বা রঞ্জন ভট্টাচার্য্য বা স্নিগ্ধশেখর সোমচৌধুরী বা নারায়ণ দত্ত বা কিশোর চক্রবর্তী বা দীপায়ণ ভট্টাচার্য্য বা উৎপল চক্রবর্তী বা শুকদেব নাথ প্রমুখ হওয়া কি এতোই সহজ? বা হয়ে ওঠা কি এতোই সহজ সেই ছেলেটি, সেই মহান শিক্ষকটি, যে বলতে পারবে "রাজা তোর কাপড় কোথায়?"
শিক্ষক দিবস বারবার আসবে। স্মৃতিতে আমার শিক্ষককেরা বারবার আসবেন, আসবে অনেক মধুকথা, আসবে অম্লকথা, আসবে খেদ, আসবে যন্ত্রণা...কিন্তু দিন শেষে কিভাবে ভুলবো যাঁদের জন্য আজ আমার এটুকু, তাঁদের সব্বাইকে?
No comments:
Post a Comment