এই মানুষটিই বাধ্য করেছিলেন লেখা পাঠাতে।
লেখাটি প্রকাশিতও হয়েছিল বিখ্যাত দৈনিক পত্রিকায়।
সে খবর দেওয়ার আগেই, অভিনন্দন জানিয়ে তাঁর ফোন এসেছিল।
সেটাই শেষ নয় অবশ্য। লেখা নিয়ে কাটাছেঁড়া করেছেন বহুবার।
সত্যি বলতে, ওঁর জন্যই আবার লেখালিখি শুরু করেছিলাম। সে ঋণ ভুলি কীভাবে!
নিজের বাবা চলে যাওয়ার পর, হয়ে উঠেছিলেন অন্যতম অভিভাবক। জানতেন সে কথাও।
মহীরুহ চলে গেলে, তার স্নিগ্ধ ছায়াও চলে যায়।
ছায়াহীন হলাম আবারও।
।। পরম শ্রদ্ধেয় অভিভাবক অধ্যাপক অর্ণব সেন।।
প্রয়াণ: মার্চ ৩০, ২০২৬

No comments:
Post a Comment