উত্তরবঙ্গের চা বাগানগুলির সঙ্গে কালী মন্দিরের একটা সম্পর্ক রয়েছে বলে ব্যক্তিগতভাবে মনে করি। একটা সময় বহু চা বাগানের মালিকানা ছিল বাঙালিদের হাতে। বাগানে নিযুক্ত হতেন বহু বাঙালি করণিক। বাবু নামেই পরিচিত ছিলেন তারা। হয়ত তাদের সম্মিলিত উদ্যোগেই মন্দির প্রতিষ্ঠা। বহু চা বাগানে এরকম কালী মন্দির দেখেছি। কোনও মন্দির কোম্পানি নির্মিত, কোনওটি আবার যৌথ প্রচেষ্টায়। মন্দিরগুলির বয়সও কম নয়। কেউ শতবর্ষ পার করেছে, কেউ আবার একশো বছর স্পর্শ করবার মুখে। এরকমই একটি মন্দির আটিয়াবাড়ি চা বাগানে দেখা যায়। বাগানটি সম্ভবত ১৯০০ সালে তৈরি হয়। মন্দিরের বয়স সঠিক জানি না। তবে ফ্যাক্টরি গেটের উল্টোদিকের এই মন্দিরটি নিঃসন্দেহে অত্যন্ত সুন্দর। রবিবার বিকেলে খানিকক্ষণ সুন্দর সময় কেটেছে সেখানে। জলপাইগুড়ির প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব সর্বজনশ্রদ্ধেয় এস পি রায়ের মালিকানায় থাকা এই বাগানটি এখন অন্যদের হাতে। অবসরপ্রাপ্ত বহু কর্মী এখনও গ্র্যাচুইটির টাকা পাননি। বাগানের প্রোডাকশন কমছে। সমস্যা অনেক। কিন্তু মন্দির চত্বর পরিচ্ছন্ন। মন ভাল হয়ে যায়। প্রসঙ্গত এই মন্দিরে পুজো দিতে দূরদূরান্ত থেকেও ভক্তরা আসেন।

No comments:
Post a Comment