বেড়ানো
শৌভিক রায়
শৌভিক রায়
- না না আমি বুঝতেই পারি না কেন মাত্র সাত-আটদিনের জন্য তোমার বোন নিজের মায়ের দায়িত্ব নিতে পারে না!
- আরে তুমি তো জানোই সব...ওর ননদের অ্যাডভান্স পিরিয়ড এখন, পুরো সংসারটাই ওর ওপর, দেওর, শ্বশুর..
- থাক। আর ফিরিস্তি দিও না। আমারই সব দায়িত্ব যখন তখন আর আমাকে ব'ল না...আমি যাবো না। এই বলে রাখলাম।
- আরে একটু ভাবতে দাও তো। এতো ব্যস্ত হচ্ছ কেন!
- মা....দিদু যাবে না আমাদের সাথে?
- অ্যাই...ঘুমো তো। তোকে পাকামি করতে হবে না। মা...দিদু যাবে না!! এটার মাথাটাও যাচ্ছে বাপের মতো।
- আরে তুমি তো জানোই সব...ওর ননদের অ্যাডভান্স পিরিয়ড এখন, পুরো সংসারটাই ওর ওপর, দেওর, শ্বশুর..
- থাক। আর ফিরিস্তি দিও না। আমারই সব দায়িত্ব যখন তখন আর আমাকে ব'ল না...আমি যাবো না। এই বলে রাখলাম।
- আরে একটু ভাবতে দাও তো। এতো ব্যস্ত হচ্ছ কেন!
- মা....দিদু যাবে না আমাদের সাথে?
- অ্যাই...ঘুমো তো। তোকে পাকামি করতে হবে না। মা...দিদু যাবে না!! এটার মাথাটাও যাচ্ছে বাপের মতো।
**************************************
পেছন ফেরে মিতুন। জানালায় দিদু দাঁড়িয়ে নেই অন্যদিনের মতো। মা বাবা সব জানালা দরজা ভাল ক'রে বন্ধ করে দিয়েছে। বাড়ির পেছন দিকের একটেরে ঘরটায় দিদুকে রাখা হয়েছে। মিটমিটে একটা বাল্ব সে ঘরে যার আলো পৌঁছায় না পাশের ঘরেও।
মা বাবা খুব খুশী। আন্দামানে যাচ্ছে তারা বেড়াতে।
মা বাবা খুব খুশী। আন্দামানে যাচ্ছে তারা বেড়াতে।
মিতুনের মনটাই শুধু ভাল নেই।
দিদুটা কেন যে বেড়াতে যাচ্ছে না তাদের সাথে!
(প্রকাশিত- মোহনা, বইমেলা ফোল্ডার )
No comments:
Post a Comment