সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মভিটে।
বহুবার নৈহাটি স্টেশনে ট্রেনে বসে বাড়িটি দেখেছি।
প্রতিবারই ভেবেছি, ভালভাবে দেখতে হবে। অবশেষে এতদিনে সেই সুযোগ হল।
বিরাট বাড়িটি সযত্নে রক্ষিত। বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মস্থানটি আলাদা করে সাজানো। বিভিন্ন ঘরগুলিতে প্রদর্শিত হয়েছে তাঁর পালঙ্ক, মাথার পাগড়ি, পারিবারিক গানের খাতা, ব্যবহৃত শাল, দাবার ঘুঁটি, দেওয়াল ঘড়ি, আলমারি, তাঁর ব্যবহৃত টেবিল ইত্যাদি বহু কিছু। তাঁর বিখ্যাত বইগুলির প্রথম সংস্করণের ছবি সহ পুরো পরিবারের সচিত্র পরিচয় সত্যিই ভাল লাগে। ভাস্কর বিপিন গোস্বামী ও নিরঞ্জন প্রধানের `কৃষ্ণকান্তের উইল`-এর কৃষ্ণকান্তের ও `বিষবৃক্ষ`-এর কুন্দনন্দিনীর মূর্তি দুটিও অসামান্য। ঋষি বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মভিটের এই গ্যালারিতে স্থান পেয়েছেন রয়েছেন সমরেশ বসু ও হরপ্রসাদ শাস্ত্রীও।
নৈহাটির গর্ব তাঁরাও। বাড়ি লাগোয়া ১৭৭২ সালে নির্মিত রাধাবল্লভ জিউয়ের মন্দির। এমনিতেও বঙ্কিমচন্দ্রদের পারিবারিক মন্দিরটিও আছে বৈঠকখানার পাশেই।
নৈহাটির গর্ব তাঁরাও। বাড়ি লাগোয়া ১৭৭২ সালে নির্মিত রাধাবল্লভ জিউয়ের মন্দির। এমনিতেও বঙ্কিমচন্দ্রদের পারিবারিক মন্দিরটিও আছে বৈঠকখানার পাশেই।
আজকাল `বড়মা` দর্শনে অনেকেই নৈহাটি যাচ্ছেন। রেল লাইনের পশ্চিম দিকে তাঁর মন্দির। আর লাইনের পূর্ব দিকে `বন্দে মাতরম` রচয়িতার বাড়িটি। ইচ্ছে করলে দেখা যেতেই পারে সেটি। এটুকু তো তাঁর প্রাপ্য। স্বাধীনতা আন্দোলনে যে মন্ত্র বুকে নিয়ে আমাদের অগ্রজরা প্রাণ দিলেন, সেই মন্ত্রের জনককে শ্রদ্ধা জানানোটা আমাদের কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে বলে আমার বিশ্বাস।










No comments:
Post a Comment